জয় সাহা ■ ভাঙিপাড়া (সন্দেশখালি)গ্রামের যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে হত্যালীলার চিহ্ন। ভেঙেচুরে যাওয়া বাড়ি, গুলির খোল। জটলা পাকিয়ে গ্রামবাসীরা অপেক্ষা করছেন শেষযাত্রায় মৃতদেহগুলিকে কাঁধে করে বইবেন বলে। চোখে-মুখে আতঙ্ক, বিনিদ্র রাতের ক্লান্তি। মেঠো রাস্তায় কালচে হয়ে আসা চাপ চাপ রক্তের ছোপ। ভনভন করছে মাছি।রাস্তার কুকুর মাঝেমধ্যেই এসে চেখে দেখতে চাইছে সেই রক্তের স্বাদ। কুকুর তাড়াতে গিয়ে হাত তুলেই ব্যথায় ককিয়ে উঠলেন তরুণ মণ্ডল। লোহার রডের ঘায়ে তাঁর হাত ফুলে ঢোল। ব্যথা এতটাই, যেটুকু খেয়েছিলেন সব বমি হয়ে গেল। এক যুবক তরুণকে ধরতে এলে, খসে পড়ল তাঁর গায়ে জড়ানো গামছাটা। সারা পিঠে-বুকে দাগড়া দাগড়া কালশিটে। নাম জানাতে চাইলেন না যুবক। শিউরে উঠলেন ভয়ে।ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে শিউরে উঠছেন অনেকেই। এ ভাবে কেউ কাউকে মারতে পারে! তৃণমূলের নিহত কর্মী আব্দুল কাইম মোল্লার বাবা দলের স্থানীয় নেতা লিয়াকত আলি মোল্লার দীর্ঘশ্বাস পড়ে, ‘আমার ছেলেকে গুলি করেও ওদের স্বাদ মেটেনি। কাইম যখন রাস্তায় পড়ে শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে, তখন ওর পা ধরে টানতে টানতে প্রদীপ মণ্ডলের বাড়ির বাইরে একটা বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। ওর গা তখন রক্তে ভেসে যাচ্ছে।
from Eisamay http://bit.ly/2wJSbp1
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
Author Details
I am an Executive Engineer at University of Barishal. I am also a professional web developer and Technical Support Engineer.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন