বরিশালের টাইমস, জাতীয়, রাজনীতি, অর্থনীতি, সারা বাংলা, আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা, চাকরি, বিনোদন, সাতসতেরো, ক্যাম্পাস, অন্যান্য

Breaking

রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩

পিরোজপুরে অনৈতিক কাজের অভিযোগে নারী গ্রাম পুলিশকে জুতাপেটা

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে অনৈতিক কাজের অভিযোগে শাহানাজ বেগম (২৮) নামের এক নারী গ্রাম পুলিশকে জুতাপেটা করেছেন স্থানীয়রা। আর এর ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।ওই নারী স্থানীয় মধ্য চুঙ্গাপাশা গ্রামের প্রবাসী মান্নান হাওলাদারের স্ত্রী।ওই নারীর সাথে অনৈতিক কাজের জড়িত থাকার অভিযোগ স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও দূর্গাপুর বাজারের ব্যাবসায়ী মো. কবির মাঝির। তিনি ওই ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের জালাল মাঝির ছেলে।
জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার ৩ নম্বর দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯নম্বর
ওয়ার্ডের ওই নারী গ্রাম পুলিশকে গত সোমবার (০৮মে) রাত ১০টার দিকে জুতাপেটা করে স্থানীয় একদল যুবক। পরে তা মোবাইলে ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একটি ঘরে বসে ওই নারীকে জুতাপেটা
করা হচ্ছে। সেখানে পোশাক পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন ওই ইউনিয়নের দফাদার
মোয়াজ্জেম হাওলাদর। ওই নারীর ঘরে রয়েছেন অভিযুক্ত যুবক কবির মাঝি সহ
সেখানে কয়েক যুবক। সেখানে থাকা দফাদারের পায়ের জুতা নিয়ে এক নারী ওই
নারীকে জুতা পেটা করছেন। এ সময় আকাশ নামের এক যুবকের নাম ধরে ডাকতে শোনা
যাচ্ছে।
স্থানীরা জানান, ওই নারী গ্রাম পুলিশের সাথে যুবলীগ নেতা কবির মাঝির সাথে দীর্ঘ দিনের অনৈতিক সম্পর্ক। ওই রাতে ওই নারীর বাড়ির নিজ ঘরে বসে অনৈতিক কাজের কালে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে যুবক কবির মাঝিকে ৪০ ও নারী গ্রাম পুলিশকে ৩০ জুতাপেটা করেন।

এ ব্যাপারে ওই নারী গ্রাম পুলিশের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান,তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এমন কাজে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে। কবির মাঝির সাথে তার কোন অনৈতিক সম্পর্ক নয়। ওই রাতে কবির
মাঝি তার (নারী) সাথে বাড়ি গিয়ে ছিলো মাত্র। তার দেবর মাহাবুব তাকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কবির মাঝির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওই
নারীর সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। তবে তা কোন খারাপ দিকের নয়। ওই রাতে ওই
নারী তার নিরাপত্তার অভাবে কথা বলে তাকে (যুবক) ডেকে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের দফাদার মো. মোয়াজ্জেম হাওলাদার
জানান, তিনি ওই রাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ফোন পেয়ে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। পরে স্থানীয়রা ওই নারী গ্রাম পুলিশকে জুতাপেটা করে ছেড়ে দেয়।

এ ব্যাপারে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নোমান মৃধা জানান, ওই রাতে নারীর
অনৈতিক কাজের খবর পেয়ে সেখানে ইউনিয়নের দফাদারকে পাঠানো হয়েছিলো। আমি এলাকায় না থাকায় স্থানীয়রা বিষয়টি আমাকে মুঠোফোনে জানিয়েছিলেন।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Pages