এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বড় অংশে ভাঙন ঠেকাতে কী করছে তৃণমূল?মঙ্গলবার ব্যারাকপুর মহকুমার তিনটি পুরসভার ৬৩ জন কাউন্সিলর দিল্লিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। নিজেদের ঘর বাঁচাতে এদিন মধ্যমগ্রামে তৃণমূল জেলা সভাপতি এবং রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নেতৃত্বে কোর কমিটির বৈঠকে বসেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। ৬৩ জন কাউন্সিলরের দল ছাড়া নিয়ে জ্যোতিপ্রিয়র বক্তব্য, ‘২০০৪ সালে তৃণমূলের একজন সাংসদ ছিলেন। সেখান থেকে গত ২০০৯ সালে এসইউসিআই-কে নিয়ে তৃণমুলের সাংসদ ছিল ২০। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০২০-তে পুরসভা এবং ২০২১-এ বিধানসভা নির্বাচনে দেখিয়ে দেব আমরা।’কোর কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সাত জনের একটি কমিটি গঠন করা হবে। জ্যোতিপ্রিয় বলেন, বিজেপির তাণ্ডবের জেরে ভাটপাড়া থেকে তৃণমুলের অনেকেই ঘরছাড়া হয়েছেন। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সাত জনের এই কমিটি ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানোর পাশাপাশি তাঁদের বাড়ি মেরামতির কাজও দেখবেন। এই কমিটিতে আছেন পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ, বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়, মদন মিত্র, নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ, বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বসু এবং দমদমের বিধায়ক ব্রাত্য বসু। এই কমিটিই এ বার থেকে ব্যারাকপুর এবং বনগাঁ কেন্দ্রের পরিস্থিতির উপর নজর রাখবে।কোর কমিটির বৈঠকে নজর ছিল নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিংয়ের উপর। অর্জুন সিংয়ের ভগ্নিপতি সুনীল কি তৃণমূল ছাড়বেন, এই প্রশ্ন নিয়ে ভোটের আগে থেকেই বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। সুনীল এদিন কোর কমিটির বৈঠকে ছিলেনও। সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীন তিনি কড়া ভাষায় জানান, নৈহাটি অঞ্চলে দলের দায়িত্ব তাঁকে দিতে হবে। না হলে তিনি ভেবে দেখবেন, তৃণমূলে আর থাকবেন কি না। বৈঠকের শেষে বিজেপির দল ভাঙানো নিয়ে তাপস রায় বলেন, ‘এটা সঙ্কটই নয়। কয়েক জন রাজনৈতিক সুযোগে অস্থায়ী সঙ্কট তৈরি করেছে। তৃণমুল অবশ্যই এই অস্থায়ী সঙ্কট কাটিয়ে উঠবে।’
from Eisamay http://bit.ly/2HJR27m
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
Author Details
I am an Executive Engineer at University of Barishal. I am also a professional web developer and Technical Support Engineer.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন