এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: () সংক্রমণের শিকার হয়ে, প্রবল মানসিক উত্কণ্ঠা থেকে আত্মহত্যা করলেন বি কম পড়ুয়া (BCom student) এক ছাত্রী। নয়ডার যে সরকারি হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন, তার সপ্তমতল থেকে ঝাঁপ দেন ওই ছাত্রী। মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে নয়ডা পুলিশ। হাসপাতালের সকলের নজর এড়িয়ে ওই ছাত্রী কী করে ঝাঁপ দিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাঁর পরিবার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজদারিতে গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ তোলা হয়। এদিকে, মৃত্যুর পরেও মেয়ের মৃতদেহ হাতে না-পাওয়ায়, তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁর পরিজনেরা। পরিবারের ক্ষোভের কারণ, মেয়ে যে কোভিড পজিটিভ () ছিল, সে সংক্রান্ত কোনও রিপোর্ট তাদের হাতে দেওয়া হয়নি। শুধু মৌখিক ভাবে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মেয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাই পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, নয়ডার সেক্টর ৪৫-এ সদরপুরে বাড়ি স্নাতক বাণিজ্যশাখার ওই ছাত্রীর। গত রবিবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাঁকে সেক্টর ২৪-এর ইএসআইসি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। এদিকে, ওই ছাত্রীর যক্ষ্মাও ছিল বলে হাসপাতালের তরফে দাবি করা হয়। ডিসিপি সংকল্প শর্মা জানান, উপসর্গ দেখে ডাক্তারদের সন্দেহ হয়েছিল ওই ছাত্রী কোভিড আক্রান্ত ()। যে কারণে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি নিতে অস্বীকার করা হয়। কারণ, ESIC হাসপাতালে () আক্রান্তদের চিকিত্সা করা হচ্ছে না। সেই পরিকাঠামোও নেই। পরে, ওই তরুণীকে ভর্তি নেওয়া হয়। তাঁর নমুনাও টেস্ট করতে পাঠানো হয়। এর মধ্যেই সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ ওই ছাত্রী হাসপাতালের আটতলা থেকে ঝাঁপ দিলে, ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ডিসিপি জানান, কী কারণে ওই ছাত্রী চরম পদক্ষেপ নিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে তাঁরা কথা বলবেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও জিগ্যাসাবাদ করা হবে। তবে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা কোভিড হয়েছে আশঙ্কাতেই ওই তরুণী উত্কণ্ঠায় আত্মহত্যা করেছেন। তবে, ছাত্রী আদৌ করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন কি না, পুলিশ সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। টেস্ট রিপোর্ট দেখার পরেই তাঁরা জানতে পারবেন। মনের জানালা আপনি কি হতাশ? বিষণ্ণ বোধ করছেন? নিজেকে একলা মনে হচ্ছে খুব? প্লিজ একটা ফোন করুন। একবার। কলকাতা পুলিশের ১০০ ডায়াল করে সমস্যার কথা জানালে পুলিশও উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সন্ধান দিতে পারে। শহরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন ফাউন্ডেশন: (০৩৩) ৪০৪৪-৭৪৩৭, ২৪৭৪-৪৭০৪/৫৮৮৬/৫২৫৫ ক্রিস্টাল মাইন্ডস: ৯২৩০৬১৬৭৫০, ৯৯০৩৩০২৬২১ -- শিশু কমিশনের উদ্যোগ করোনা লকডাউনের জেরে পরিবারের আর্থিক সঙ্কট, নিকটজনের অসুস্থতা বা মৃত্যু মানসিক চাপ তৈরি করছে শিশুমনে। শিশুদের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য নিখরচার হেল্পলাইন চালু করল পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। সাইকোলজিস্ট/কাউন্সেলর যশবন্তী শ্রীমানি ৮৭৭৭০৯৪৮৩৫ (সকাল ১১টা থেকে ১টা এবং বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা) -- সুবর্ণা সেন ৯৮৩০৪৩৪৬৮৫ (২৪X৭) কনসালট্যান্ট সাইকিয়াট্রিস্ট -- হেল্পলাইন: ইন্ডিয়া: ইন্টারন্যাশনাল বাইপোলার ফাউন্ডেশন: +91-8888817666 জীবন আস্থা হেল্পলাইন (টোল ফ্রি): 1800 233 3330 AASRA: 09820466726, 022-27546669/27546667/104 রোশনি ফাউন্ডেশন: 040-66202001, 040-66202000 -- চোখ রাখুন এই লিংকে: https://ift.tt/2BZ5xn5
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2Y5N8xF
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন